শনিবার (১৮ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ খাদ্য আইনে অভিযান পরিচালিত হয়। আরিফুল ইসলাম, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত, কিশোরগঞ্জ এর নেতৃত্বে নিরাপদ খাদ্য আইনে সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়ার (সামারি ট্রায়াল) মাধ্যমে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করা হয়।
বিজ্ঞ আদালত কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল রাকুয়াইল এলাকায় অবস্থিত ফাস্ট টাইম কেক কে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, লাইসেন্স ব্যতীত খাদ্য উৎপাদন ও অন্যান্য অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইনের ৩২(ক) ধারায় ২ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
অপরদিকে কালীবাড়ি মোড়ে অবস্থিত ননী গোপাল সুইটস কেবিনকে দইয়ের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না করা, রসমালাই এর মধ্যে পোকামাকড় পাওয়া যাওয়া এবং কাচামাল ক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ না করার অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইনের ৩৮ ধারায় ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
স্টেশন রোড এলাকায় অবস্থিত তাজ রেস্টুরেন্টকে ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংস ও বাসি চিকেন গ্রিল একত্রে সংরক্ষণ করা ও অন্যান্য অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইনের ৩৮ ধারায় ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
বিসিক শিল্প নগরীতে অবস্থিত ইসলাম ফুডকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ঘন চিনির ব্যবহার ও অন্যান্য অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইনের ৩৮ ধারায় ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
উক্ত আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জনাব শংকর চন্দ্র পাল, পুলিশ, কিশোরগঞ্জ র্যাব ও আনসার ব্যাটালিয়নের একটি করে চৌকস দল।


















