সোমবার (২৯ ডিসেম্বর দুপুরে) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি তার এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সাথেও কথা বলেন।
সোমবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে করিমগঞ্জে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার তাহমিনা আক্তারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসন থেকে নির্বাচন করবেন ওসমান ফারুক।
তিনি বলেছেন, ‘আমি শিক্ষামন্ত্রী ছিলাম, এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছি। আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করতে চাই, যে আমাকে দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আমি আশ্বাস দিতে চাই জনগণের সমর্থন পেয়ে যদি নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের উন্নয়ন, সামাজিক পরিবেশকে উন্নত করা, এখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নত করা, আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে উন্নত করা, বিশেষ করে করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলার উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক যে কর্মকাণ্ড তাকে আরও বৃদ্ধি করা, মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, এই বিষয়গুলোর দিকে সবচেয়ে গুরুত্বারোপ করব।’
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সংগ্রাম, রক্তপাত, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং নির্যাতনের পরে আমরা ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছি। দেশের মানুষ ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যে জাতীয় সংসদ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এই নির্বাচনে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেবে।’
প্রার্থী ওসমান ফারুক বলেন, ‘আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যে তারা আমাকে আবারও এই আসন থেকে নির্বাচন করার সুযোগ করে দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এলাকার জনগণের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, অতীতে যেভাবে আমাকে সমর্থন দিয়েছেন, এবারও সেইভাবে সমর্থন দিয়ে আমাকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনারা আমাকে জয়যুক্ত করতে সাহায্য করবেন।’
উল্লেখ্য, এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য কর্নেল (অব) ডা: জেহাদ খান, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রভাষক আলমগীর হোসাইন তালুকদার, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন এ কে এম আলমগীর।


















