ইরানকে দশদিনের সময়সীমা বেধে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানকে দশদিনের সময়সীমা বেধে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দশ দিনের মধ্য একটি চুক্তি দেখতে চান বলে তিনি হুশিয়ারী দেন।

 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এই কঠোর বার্তা দেন। তিনি বলেনপ্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগামী ১০ দিনের মধ্যে একটি চুক্তি দেখতে চান। যুদ্ধের জন্য নির্ধারিত চার থেকে ছয় সপ্তাহের সময়সীমা এখনো বহাল আছে। আমাদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।

সংবাদ সম্মেলনে লেভিট দাবি করেনবাইরে ইরান কড়া কথা বললেও পর্দার আড়ালে আলোচনা বেশ ফলপ্রসূ হচ্ছে। তিনি বলেনইরান গোপনে কিছু মার্কিন শর্তে রাজি হয়েছে। তাদের অবশিষ্ট নেতৃত্ব এখন আলোচনার জন্য ক্রমশ আগ্রহী হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে আলোচনার একটি ফলাফল হিসেবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার চলাচল শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান। লেভিট বলেছেনআগামী কয়েক দিনের মধ্যে ২০টি ট্যাঙ্কার এই প্রণালি দিয়ে পার হবে বলে আমরা আশা করছি। এটি আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। তবে ইরান যদি এই যাতায়াতের ওপর কোনও শুল্ক আরোপের চেষ্টা করেতবে আমরা তা সমর্থন করব না।

ইরান যুদ্ধের ব্যয়ভার বহনে আঞ্চলিক মিত্রদেরবিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর চাপ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে হোয়াইট হাউস। ট্রাম্প এ বিষয়ে মিত্রদের ফোন করতে আগ্রহী বলে জানান লেভিট। তিনি বলেনউপসাগরীয় মিত্ররা এই যুদ্ধের খরচ মেটাতে এগিয়ে আসুকএমন একটি পরিকল্পনা প্রেসিডেন্টের মাথায় আছে। এ নিয়ে সামনে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালএ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেনতেহরানের একটি অপেক্ষাকৃত যুক্তিবাদী অংশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে চুক্তি না হলে পরিণাম হবে ভয়াবহ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেনযদি কোনও কারণে শিগগিরই চুক্তি না হয় এবং হরমুজ প্রণালি ব্যবসার জন্য খুলে দেওয়া না হয়তবে আমরা ইরানের সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রতেলকূপ এবং খার্গ দ্বীপ উড়িয়ে দিয়ে আমাদের এই অবস্থান শেষ করব। এমনকি লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলোও ধ্বংস করা হতে পারে।